
গাজীপুর প্রতিনিধি:- মাহমুদা আক্তার
গাজীপুর-২ সংসদীয় আসনে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে এম মনজুরুল করিম রনিকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় স্থানীয় জনগণ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা মেয়র ও সাবেক মন্ত্রী, প্রয়াত জননেতা আলহাজ্ব অধ্যাপক এম এ মান্নানের একমাত্র সন্তান হিসেবে রনি এরই মধ্যে তাঁর বাবার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও জনকল্যাণমুখী ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, রনি ভাই-ই পারেন গাজীপুর-২ আসনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এবং তার বাবার অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে।
প্রয়াত পিতার আদর্শ: জনগণের সেবায় নিবেদিত রনি
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত প্রথম মেয়র আলহাজ্ব অধ্যাপক এম এ মান্নান ছিলেন গাজীপুরবাসীর হৃদয়ের নেতা। তাঁর জীবদ্দশায় তিনি গাজীপুরের ব্যাপক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে কাজও শুরু করেছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাঁকে দীর্ঘসময় ধরে জেল-জুলুম, হয়রানি ও মিথ্যা মামলার বোঝা বহন করতে হয়। তবুও তিনি বিএনপির আদর্শে অনড় থেকে গাজীপুরের জনগণের জন্য লড়াই করে গেছেন।
পিতার এই ত্যাগের মহিমা ও অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজের ভার এখন বহন করছেন তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি এম মনজুরুল করিম রনি। রনি শুধু তরুণ রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি তাঁর বাবার দেখানো পথে হাঁটছেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক/ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক (বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদে) হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন, যা গাজীপুর মহানগর বিএনপিতে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচায়ক।
জনকল্যাণেই যার পরিচয়: রনির বহুমুখী কার্যক্রম
রাজনীতির পাশাপাশি এম মনজুরুল করিম রনির জনসম্পৃক্ততা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক। তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে মিশে তিনি তাদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে উঠেছেন। তাঁর কর্মকাণ্ডের প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:
* শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সহায়তা: দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় উৎসাহ প্রদান এবং অসুস্থদের চিকিৎসায় সহায়তা প্রদানে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
* দরিদ্র ও মেহনতি মানুষের বন্ধু: সমাজের অসহায়, খেটে খাওয়া ও মেহনতি মানুষের পাশে তিনি সব সময় থাকেন, যা তাঁকে ‘জনগণের বন্ধু’ হিসেবে পরিচিত করেছে।
* ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে উৎসাহ: যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে তিনি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
* পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সচেতনতা: রনি ভাই সম্প্রতি ‘বিডি ক্লিন’-এর মতো সামাজিক উদ্যোগের সাথে যুক্ত হয়ে শহরের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব গাজীপুর গড়ার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার প্রমাণ করে।
তৃণমূলের আস্থা ও প্রত্যাশা
এম মনজুরুল করিম রনির জনমুখী কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জনাব মোঃ রাসেল রানা তাঁর প্রতি দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন:
“অধ্যাপক এম এ মান্নান সাহেব ছিলেন গাজীপুরের উন্নয়নের প্রতীক। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তাঁর সেই অসমাপ্ত কাজ এখন রনি ভাই নিরলসভাবে এগিয়ে নিচ্ছেন। রনি ভাই সর্বদা জনগণের পাশে থেকে প্রমাণ করেছেন যে তিনি জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য। আমরা মনে করি, গাজীপুর-২ আসনে রনি ভাইকে মনোনীত করলে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমাদের প্রিয় নেতার স্বপ্ন পূরণ করবেন এবং এই অঞ্চলের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবেন।”
স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এখন একটাই শ্লোগান— “গাজীপুর-২ আসনে রনি ভাই চাই।” তারা মনে করে, এম মনজুরুল করিম রনি তাঁর শিক্ষা, সততা, তারুণ্যের উদ্যম এবং নেতৃত্বের যোগ্যতা দিয়ে শুধু বিএনপির রাজনৈতিক শূন্যতাই পূরণ করবেন না, বরং গাজীপুর-২ আসনকে একটি মডেল নির্বাচনী এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবেন। তাঁর হাত ধরেই এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে— এই আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয়রা।