
জবাবদিহিই পারে অপরাধ ঠেকাতে
: প্রফেসর ড. মোঃ আবু তালেব
অপরাধ বাড়লে মানুষ আতঙ্কিত হয়। কিন্তু অপরাধের পরও যদি অপরাধী ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে, তখন আতঙ্কের সঙ্গে যোগ হয় হতাশা। আর যদি বারবার একই ধরনের অপরাধ ঘটে, তখন প্রশ্ন ওঠে—রাষ্ট্রের প্রতিরোধব্যবস্থা কোথায়? সাম্প্রতিক সময়ে শিশু ও নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার একের পর এক ঘটনা আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে। ধর্ষণ, হত্যা, নির্যাতন, অপহরণ, পারিবারিক সহিংসতা—কোনোটিই বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। এগুলো নাগরিক নিরাপত্তার বড় প্রশ্ন। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (ASK) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশে বিভিন্ন ধরনের সহিংসতায় অন্তত ১৯৫ শিশু নিহত হয়েছে। একই সময়ে ১৯২ শিশু ধর্ষণের শিকার এবং ১০৫ শিশু ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। ধর্ষণের পর নিহত হয়েছে ২১ শিশু। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ১৯৫ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় মাত্র ৫৯টি মামলা হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা আমাদের থামিয়ে দেয়। কারণ প্রতিটি সংখ্যা একজন মানুষ। একটি শিশুর নাম আছে। একটি পরিবার আছে। একটি ভবিষ্যৎ আছে। একটি স্বপ্ন আছে। সেই স্বপ্ন যখন অপরাধীর হাতে শেষ হয়ে যায়, তখন শুধু একটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। ক্ষতিগ্রস্ত হয় সমাজের নিরাপত্তাবোধ।
প্রশ্ন হলো, অপরাধ কেন ঘটছে? শুধু আইন কঠোর করলেই কি অপরাধ বন্ধ হবে? অভিজ্ঞতা বলছে, শুধু আইন থাকলেই হয় না। আইনের প্রয়োগ দরকার। তদন্ত দরকার। দ্রুত বিচার দরকার। অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার। সবচেয়ে বড় কথা, পুরো ব্যবস্থায় জবাবদিহি দরকার। জবাবদিহি না থাকলে আইন কাগজে থাকে। জবাবদিহি থাকলে আইন মানুষের জীবনে কার্যকর হয়। এখানেই মূল সমস্যা। কোনো থানায় অভিযোগ গ্রহণে গাফিলতি হলো কি না, তদন্ত কর্মকর্তা সময়মতো কাজ করলেন কি না, প্রমাণ সংগ্রহে ত্রুটি হলো কি না, আসামি গ্রেপ্তারে অযথা বিলম্ব হলো কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একইভাবে প্রসিকিউশন ও বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপেও দক্ষতা ও জবাবদিহি প্রয়োজন। কারণ একটি অপরাধের বিচার শুধু আদালতের বিষয় নয়। এটি একটি সমন্বিত রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া। পুলিশ তদন্ত করবে। প্রমাণ সংগ্রহ করবে। প্রসিকিউশন মামলা পরিচালনা করবে। আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে। কারাগার কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী সাজা কার্যকর করবে। এই পুরো ব্যবস্থার কোনো একটি জায়গায় বড় ধরনের দুর্বলতা তৈরি হলে বিচারপ্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই অপরাধ দমনে শুধু গ্রেপ্তারের সংখ্যা দিয়ে সাফল্য মাপা ঠিক নয়। কত দ্রুত মামলা নেওয়া হয়েছে? কত দ্রুত তদন্ত শেষ হয়েছে? কতটি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে? কতটি মামলা বিচার পর্যন্ত গেছে? কতটি মামলায় আইন অনুযায়ী রায় কার্যকর হয়েছে? এসব তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা দরকার। জনগণকে জানতে হবে। রাষ্ট্রকে জানাতে হবে। প্রশাসনকেও নিজের কাজের হিসাব দিতে হবে। এটি কাউকে অপমান করার জন্য নয়। এটি দায়িত্বশীল প্রশাসনের স্বাভাবিক নিয়ম। ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়েবসাইটেও অপরাধের পরিসংখ্যান নিয়মিত প্রকাশের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ধরনের তথ্য শুধু ওয়েবসাইটে রাখলেই হবে না। তথ্য বিশ্লেষণ করতে হবে। কোন এলাকায় কোন অপরাধ বাড়ছে, তা শনাক্ত করতে হবে। কোন বয়সের মানুষ বেশি ঝুঁকিতে, তা দেখতে হবে। কোন সময় অপরাধ বেশি হচ্ছে, তা জানতে হবে। অপরাধের ধরন পরিবর্তন হচ্ছে কি না, সেটিও বুঝতে হবে। তারপর সেই অনুযায়ী পুলিশি ব্যবস্থা নিতে হবে। এখন প্রযুক্তির যুগ। সিসিটিভি আছে। মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করা যায়। ডিজিটাল ফরেনসিকস আছে। ডিএনএ পরীক্ষা আছে। আধুনিক অপরাধ তদন্তের অনেক উপায় আছে। কিন্তু প্রযুক্তি থাকলেই হবে না। প্রশিক্ষিত মানুষ দরকার। দক্ষ তদন্তকারী দরকার। প্রমাণ সংরক্ষণের সঠিক ব্যবস্থা দরকার। আর দরকার এসব ব্যবস্থার নিয়মিত মূল্যায়ন।
শিশু সুরক্ষার বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। ইউনিসেফের বাংলাদেশ-সংক্রান্ত ২০২৫ সালের MICS তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৮৫ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু আগের এক মাসে কোনো না কোনো ধরনের সহিংস শাসনের অভিজ্ঞতা পেয়েছে। এটি অত্যন্ত বড় একটি সামাজিক সংকেত। শিশুর নিরাপত্তা শুধু রাস্তায় নিশ্চিত করলেই হবে না। বাড়িতেও নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যালয়েও নিশ্চিত করতে হবে। খেলার মাঠেও নিশ্চিত করতে হবে। অনলাইনেও নিশ্চিত করতে হবে। শিশুরা যাতে নির্ভয়ে অভিযোগ করতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। অভিভাবকদের সচেতন করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। বিদ্যালয়ে অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। শিশু নির্যাতনের অভিযোগকে কোনোভাবেই ‘পারিবারিক বিষয়’ বলে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। নারীর নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ASK ৩১৯টি নারী ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এর মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ছিল ৩০টি। একই সময়ে ১২৬ জন যৌন হয়রানি বা স্টকিংয়ের শিকার হওয়ার তথ্যও সংস্থাটি জানিয়েছে। এগুলো শুধু অপরাধের সংখ্যা নয়। এগুলো সামাজিক নিরাপত্তার সূচক। তাই অপরাধ প্রতিরোধকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একক দায়িত্ব হিসেবে দেখলে চলবে না। স্থানীয় প্রশাসনকে যুক্ত করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদের যুক্ত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করতে হবে। সামাজিক সংগঠনকে যুক্ত করতে হবে। গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পরিবারকে সচেতন হতে হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কারণ নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্বগুলোর একটি। রাষ্ট্রকে তাই শুধু অপরাধের পর ব্যবস্থা নিলে চলবে না। অপরাধের আগেই ঝুঁকি শনাক্ত করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়াতে হবে। অপরাধপ্রবণ এলাকায় দৃশ্যমান পুলিশি উপস্থিতি বাড়াতে হবে। নিখোঁজ শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত অনুসন্ধান ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। অভিযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তদন্তে রাজনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিক প্রভাব যেন বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। তবে জবাবদিহি মানে নির্বিচারে কাউকে দোষী করা নয়। কোনো কর্মকর্তা দায়িত্বে ব্যর্থ হয়েছেন কি না, তা প্রমাণ ও তদন্তের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে। অন্যায়ভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া যেমন ঠিক নয়, তেমনি দায়িত্বে গুরুতর অবহেলা প্রমাণিত হওয়ার পরও ব্যবস্থা না নেওয়াও ঠিক নয়। এখানেই সুশাসনের পরীক্ষা। যোগ্য মানুষকে যোগ্য জায়গায় দায়িত্ব দিতে হবে। যিনি তদন্তে দক্ষ, তাকে তদন্তে কাজে লাগাতে হবে। যিনি মাঠ প্রশাসনে দক্ষ, তাকে মাঠে দায়িত্ব দিতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কাজের ফলাফলের জন্য জবাব দিতে হবে এবং ভালো কাজের স্বীকৃতিও দিতে হবে। কারণ জবাবদিহি শুধু শাস্তির ব্যবস্থা নয়। জবাবদিহি হলো দায়িত্ব ও ফলাফলের মধ্যে একটি স্পষ্ট সম্পর্ক তৈরি করা। একজন কর্মকর্তা জানবেন—ভালো কাজের মূল্যায়ন হবে। অবহেলারও হিসাব দিতে হবে। এই সংস্কৃতি তৈরি হলে প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হয়। আর প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হলে অপরাধ দমন কার্যকর হয়।
এখানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দক্ষতাও গুরুত্বপূর্ণ। মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকলে ভুক্তভোগী পরিবার ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সাক্ষী দুর্বল হয়ে যায়। প্রমাণ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। অপরাধীও আইনের ফাঁক খোঁজার সুযোগ পায়। তাই নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিদ্যমান বিশেষ ব্যবস্থাগুলো আরও কার্যকর করতে হবে। তবে দ্রুত বিচার মানে তাড়াহুড়ো করে বিচার নয়। দ্রুত বিচার মানে নির্ধারিত প্রক্রিয়া মেনে অযথা বিলম্ব না করা। ন্যায়বিচার হতে হবে নির্ভুল। হতে হবে প্রমাণভিত্তিক। হতে হবে নিরপেক্ষ। আমাদের মনে রাখতে হবে, অপরাধীর কঠোর শাস্তির পাশাপাশি অপরাধের আগেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা আরও গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিশুকে হত্যা করার পর বিচার করার চেয়ে শিশুটিকে হত্যার হাত থেকে রক্ষা করা অনেক বেশি জরুরি। একজন নারী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর বিচার করার চেয়ে ধর্ষণের ঘটনাই যাতে না ঘটে, সেই পরিবেশ তৈরি করা বেশি জরুরি। তাই পুলিশের জবাবদিহি চাই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহি চাই। প্রশাসনের জবাবদিহি চাই। তদন্ত সংস্থার জবাবদিহি চাই। প্রসিকিউশনের দক্ষতা চাই। বিচারপ্রক্রিয়ার গতি চাই। কিন্তু সর্বোপরি চাই একটি কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থা। কারণ অপরাধ দমনের সবচেয়ে কার্যকর বার্তা হলো—অপরাধ করলে ধরা পড়তে হবে, প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার হবে এবং আইন অনুযায়ী পরিণতি হবে। এই বার্তা বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই মানুষের আস্থা ফিরবে। শিশু নিরাপদ হবে। নারী নিরাপদ হবে। পরিবার নিরাপদ বোধ করবে। সমাজে আইনের প্রতি আস্থা বাড়বে। একটি সভ্য রাষ্ট্রের শক্তি শুধু তার অর্থনীতি দিয়ে মাপা হয় না। তার শক্তি মাপা হয় দুর্বল মানুষকে কতটা নিরাপত্তা দিতে পারে, তা দিয়েও। শিশু ও নারী সমাজের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অন্যতম। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাই কোনো অতিরিক্ত দায়িত্ব নয়। এটি রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। আজ প্রয়োজন বড় বড় ঘোষণা নয়। প্রয়োজন কাজের হিসাব। কোথায় ব্যর্থতা হয়েছে—তা চিহ্নিত করতে হবে। কেন হয়েছে—তা জানতে হবে। দায়িত্ব কার—তা নির্ধারণ করতে হবে। প্রমাণিত অবহেলার বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে যারা ভালো কাজ করছেন, তাদের উৎসাহিত করতে হবে। কারণ জবাবদিহি ছাড়া ক্ষমতা দুর্বলতা তৈরি করে। আর জবাবদিহিসহ ক্ষমতা তৈরি করে দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। অপরাধ পুরোপুরি শূন্যে নামানো কোনো রাষ্ট্রের জন্য সহজ নয়। কিন্তু অপরাধের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া দ্রুত, নিরপেক্ষ ও নিশ্চিত করা সম্ভব। সেই কাজটি করতেই হবে।
আজকের প্রশ্ন তাই শুধু—অপরাধী কে? প্রশ্নটি আরও বড়। কোথায় ব্যর্থতা হয়েছে? কেন প্রতিরোধ ব্যবস্থা কাজ করেনি? কেন ভুক্তভোগীকে যথেষ্ট সুরক্ষা দেওয়া যায়নি? এবং ভবিষ্যতে একই ঘটনা ঠেকাতে কী পরিবর্তন আনা হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়মিত দিতে হবে। রাষ্ট্রকে দিতে হবে। প্রশাসনকে দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিতে হবে। কারণ অপরাধ ঠেকাতে শুধু আইন যথেষ্ট নয়। শুধু পুলিশ যথেষ্ট নয়। শুধু আদালতও যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন সমন্বিত ব্যবস্থা। আর সেই ব্যবস্থার প্রাণ হলো জবাবদিহি। জবাবদিহি নিশ্চিত হলে দায়িত্ব স্পষ্ট হয়। দায়িত্ব স্পষ্ট হলে কাজের হিসাব হয়। কাজের হিসাব হলে ব্যর্থতা চিহ্নিত হয়। ব্যর্থতা চিহ্নিত হলে সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয়। আর এই ধারাবাহিকতাই পারে অপরাধ প্রতিরোধের রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা শক্তিশালী করতে। তাই সময় এসেছে কথার চেয়ে কাজে জোর দেওয়ার। সময়ের দাবি একটাই—জবাবদিহি নিশ্চিত হোক। অপরাধ প্রতিরোধ শক্তিশালী হোক। নিরাপদ হোক শিশু ও নারী। আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরে আসুক।
লেখক: অধ্যাপক (কৃষি) ও সাবেক ডিন, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন অনুষদ এবং সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।